পরিশোধিত মূলধন

কোম্পানি যত শেয়ার ইস্যু করে অর্থ পেয়েছে তার মোট অভিহিত মূল্য।

সংজ্ঞা

পরিশোধিত মূলধন হলো কোম্পানি শেয়ার ইস্যু করে যে মোট অর্থ সংগ্রহ করেছে, অভিহিত মূল্যে পরিমাপ করা। ডিএসইতে এটি কোটি বা মিলিয়ন টাকায় প্রকাশ করা হয়। এটি কোম্পানির ইকুইটি ভিত্তি এবং পরোক্ষভাবে শেয়ার সংখ্যার পরিমাপ। অ্যাসেটিক প্রতিটি শেয়ার পাতায় পরিশোধিত মূলধন কোটিতে দেখায়।

কীভাবে হিসাব করা হয়

পরিশোধিত মূলধন সমান ইস্যু করা শেয়ার সংখ্যা গুণ তাদের অভিহিত মূল্য, ডিএসইতে যা প্রায় সবসময় ১০ টাকা। ১০ কোটি শেয়ার ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে থাকা কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা। বাজার মূলধনের মতো এটি শেয়ার দরের সাথে বদলায় না।

কীভাবে পড়তে হয়

বড় পরিশোধিত মূলধন সাধারণত বড় শেয়ার সংখ্যা বোঝায়, যা বেশি তারল্য দিতে পারে, তবে মুনাফা বেশি শেয়ারে ভাগ হয়ে ইপিএসকে প্রভাবিত করে। ডিএসইতে ছোট পরিশোধিত মূলধনের শেয়ার বেশি অস্থির ও কম ভলিউমে সহজে নড়ে।

ডিএসই বিনিয়োগকারীদের জন্য

পরিশোধিত মূলধন ডিএসইতে একটি প্রচলিত স্ক্রিনিং মানদণ্ড, যেখানে বিনিয়োগকারীরা প্রায়ই এই সংখ্যা দিয়ে বড়-মূলধন ও ছোট-মূলধন আলাদা করেন। অ্যাসেটিকের স্ক্যানারে 'পরিশোধিত মূলধন উপরে' ও 'নিচে' প্রিসেট রয়েছে, যা কোম্পানির আকার অনুযায়ী বাজার ফিল্টার করতে দেয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পরিশোধিত ও অনুমোদিত মূলধনের পার্থক্য কী?+

অনুমোদিত মূলধন হলো শেয়ার ইস্যু করে কোম্পানি সর্বোচ্চ যত সংগ্রহ করতে পারে। পরিশোধিত মূলধন হলো যা প্রকৃতপক্ষে সংগ্রহ করেছে ও অর্থ পেয়েছে, যা সবসময় অনুমোদিত মূলধনের সমান বা কম।

বিনিয়োগকারীদের কাছে পরিশোধিত মূলধন কেন গুরুত্বপূর্ণ?+

এটি কোম্পানির ইকুইটি ভিত্তি ও শেয়ার সংখ্যা নির্দেশ করে, যা তারল্য ও শেয়ারপ্রতি মুনাফা বণ্টনকে প্রভাবিত করে। এটি বড়-মূলধন ও ছোট-মূলধন ডিএসই শেয়ার আলাদা করার প্রচলিত উপায়ও।

এই ব্যাখ্যা শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে, কোনো বিনিয়োগ পরামর্শ নয়।