ইপিএস (শেয়ারপ্রতি আয়)

কোম্পানির মুনাফা ভাগ তার মোট শেয়ার সংখ্যা।

সংজ্ঞা

শেয়ারপ্রতি আয় হলো কোম্পানির নিট মুনাফা ভাগ তার মোট শেয়ার সংখ্যা — প্রতিটি শেয়ারের ভাগে পড়া মুনাফা। এটি মুনাফার সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করা পরিমাপগুলোর একটি। অ্যাসেটিক প্রতিটি ডিএসই কোম্পানির বার্ষিক নিরীক্ষিত ইপিএস ও ত্রৈমাসিক ইপিএস দেখায়, রঙ-চিহ্নিত প্রবণতাসহ।

কীভাবে হিসাব করা হয়

ইপিএস সমান করপরবর্তী নিট মুনাফা ভাগ প্রচলিত সাধারণ শেয়ারের ভারিত গড় সংখ্যা। পরপর বছর ইপিএস বাড়লে মুনাফা বৃদ্ধির ইঙ্গিত; ঋণাত্মক ইপিএস মানে ওই সময়ে কোম্পানি লোকসান দিয়েছে।

কীভাবে পড়তে হয়

বেশি ইপিএস সাধারণত শক্তিশালী মুনাফার ইঙ্গিত, তবে একক সংখ্যার চেয়ে প্রবণতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোম্পানির ইপিএস বছরের পর বছর এবং একই খাতের প্রতিযোগীদের সাথে তুলনা করুন। ত্রৈমাসিক ইপিএস বার্ষিক ফলাফলের মাঝে সাম্প্রতিক গতিপথ দেখায়।

ডিএসই বিনিয়োগকারীদের জন্য

ডিএসই কোম্পানিগুলো ত্রৈমাসিক (কিউ১, কিউ২, কিউ৩) ও বার্ষিক নিরীক্ষিত ইপিএস প্রকাশ করে। অ্যাসেটিকের স্ক্যানারে বার্ষিক ও ত্রৈমাসিক ইপিএস বৃদ্ধির প্রিসেট রয়েছে, যা এক ক্লিকে পুরো বাজারে উন্নতিশীল মুনাফার ডিএসই কোম্পানি খুঁজে দেয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ঋণাত্মক ইপিএস মানে কী?+

ঋণাত্মক ইপিএস মানে কোম্পানি ওই সময়ে মুনাফার বদলে নিট লোকসান দিয়েছে। ধারাবাহিক ঋণাত্মক ইপিএস সতর্কতার লক্ষণ, তবে একটি লোকসানি প্রান্তিক প্রেক্ষাপটে বিচার করা উচিত।

বেশি ইপিএস কি সবসময় ভালো?+

বেশি ইপিএস সাধারণত শক্তিশালী মুনাফার ইঙ্গিত, তবে তা বছরভিত্তিক ও খাতের প্রতিযোগীদের সাথে তুলনা করা উচিত। একক সংখ্যার চেয়ে প্রবণতা ও ধারাবাহিকতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই ব্যাখ্যা শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে, কোনো বিনিয়োগ পরামর্শ নয়।